August 2, 2026, 2:53 pm

শিরোনাম :
গণভোট না মানলে বিএনপি অগণতান্ত্রিক দল হিসেবেই থাকবে : মুজিবুর রহমান সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী দেশে বছরে ৩০ লাখ টন ই-বর্জ্য, টেকসই ব্যবস্থাপনায় জাতীয় জনসংলাপ গুলিস্থানের আন্তঃজেলা বাস কাউন্টার বন্ধ থাকায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দূর্ভোগ চরমে বঙ্গভবন ছাড়লেন বিদায়ী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন সুবিধা চেয়ে আদালতে পলক / আমার বিরুদ্ধে ৯৮টি মামলা, ৯৯ দিন রিমান্ডে ছিলাম বিদায়ী রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে মামলা হবে কি না জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাছ লাগানোর চেয়ে রক্ষা করাই কঠিন: ভূমিমন্ত্রী পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে, সেটি নির্ধারণের প্রক্রিয়া জানালেন মির্জা ফখরুল মানবাধিকারের সাইনবোর্ডে প্রাতিষ্ঠানিক চাঁদাবাজি: সামনে এলো ‘পঞ্চম শ্রেণি পাস’ সামস সিন্ডিকেটের জালিয়াতি
দেশে বছরে ৩০ লাখ টন ই-বর্জ্য, টেকসই ব্যবস্থাপনায় জাতীয় জনসংলাপ

দেশে বছরে ৩০ লাখ টন ই-বর্জ্য, টেকসই ব্যবস্থাপনায় জাতীয় জনসংলাপ

বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৩০ লাখ মেট্রিক টন ইলেকট্রনিক বর্জ্য উৎপন্ন হচ্ছে। তবে এর মাত্র ১০ শতাংশ আনুষ্ঠানিকভাবে পুনঃপ্রক্রিয়াজাত হচ্ছে। ক্রমবর্ধমান এ সংকট মোকাবিলায় টেকসই ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এ লক্ষ্যে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় জনসংলাপ।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওয়াইডাব্লিউসিএ মিলনায়তনে “বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে” শীর্ষক জাতীয় জনসংলাপের আয়োজন করে অধিকারভিত্তিক সংগঠন ভয়েস। অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রগ্রেসিভ কমিউনিকেশনস-এপিসির সহযোগিতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ, গবেষক, রিসাইক্লিং প্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত ভয়েস-এর মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে বছরে প্রায় ৩০ লাখ মেট্রিক টন ই-বর্জ্য উৎপন্ন হয়। বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০৩৫ সালের মধ্যে এর পরিমাণ ৪৬ দশমিক ২ লাখ টনে পৌঁছাতে পারে। কিন্তু মোট ই-বর্জ্যের মাত্র ১০ শতাংশ আনুষ্ঠানিকভাবে পুনঃপ্রক্রিয়াজাত হচ্ছে। বাকি অংশ অনানুষ্ঠানিকভাবে ব্যবস্থাপিত হওয়ায় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মুহাম্মদ সোলায়মান হায়দার বলেন, টেকসই ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ, অঞ্চলভিত্তিক উদ্যোগ এবং সব অংশীজনের সমন্বিত সহযোগিতা প্রয়োজন।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ই-বর্জ্যের পরিমাণও বাড়বে। তাই নিরাপদ পুনর্ব্যবহার, গবেষণা জোরদার এবং সরকার, শিল্পখাত ও অনানুষ্ঠানিক খাতের সমন্বিত উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মেডিকেল ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট পরামর্শক তড়িৎ কান্তি বিশ্বাস বলেন, শুধু নীতিমালা বা সচেতনতা নয়, কার্যকর অবকাঠামো, বাস্তবায়ন সক্ষমতা এবং টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত করেই দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন আনা সম্ভব।

এদিকে, ভয়েস-এর নির্বাহী পরিচালক আহমেদ স্বপন মাহমুদ দেশব্যাপী জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নিয়মিত ক্যাম্পেইন ও কর্মশালার মাধ্যমে তরুণদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা সমন্বিত জাতীয় নীতির কার্যকর বাস্তবায়ন, শক্তিশালী মনিটরিং ব্যবস্থা, নিরাপদ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ এবং সার্কুলার ইকোনমিভিত্তিক উদ্যোগ জোরদারের মাধ্যমে ই-বর্জ্যকে পরিবেশের ঝুঁকি নয়, বরং মূল্যবান সম্পদে রূপান্তরের আহ্বান জানান।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2026 Desh-bangla.Com
Design & Developed BY PJM1337