May 30, 2026, 9:06 am
অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার: ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে পরিবেশ বাজেট তাই কেবল একটি আর্থিক হিসাব নয়, বরং নির্মল বায়ু, নিরাপদ বসবাস এবং জলবায়ু সহনশীলতার একটি বড় নীতিগত পরীক্ষা।
বর্তমানে বায়ু দূষণ এমন এক জটিল সংকটে পরিণত হয়েছে, যেখানে পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য, নগরায়ন এবং অর্থনীতি সবকিছুই একই সুতোয় গাঁথা। বছরের বেশিরভাগ সময়ই ঢাকা শহর বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকার শীর্ষে অবস্থান করে লন্ডনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) ২০২৫ সালের গ্লোবাল লিভেবিলিটি ইনডেক্সে ১৭৩টি শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান ১৭১তম।
শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এনার্জি পলিসি ইন্সটিটিউটের (EPIC) ২০২৪ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বায়ু দূষণের কারণে বাংলাদেশিদের গড় আয়ু প্রায় ৫.৫ বছর কমে যাচ্ছে। শিশু ও বয়স্কদের শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, ফুসফুসের সংক্রমণ, হৃদরোগ ও অকালমৃত্যুর ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ার (CREA)-এর তথ্যমতে, বাংলাদেশে প্রতি বছর বায়ু দূষণজনিত রোগে প্রায় ১,০২,৪৫৬ জন মানুষ মারা যাচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের মতে, পরিবেশ দূষণজনিত কারণে বাংলাদেশের জিডিপির প্রায় ১৭.৬ শতাংশ ক্ষতি হচ্ছে। এই শহরের বাতাস আজ কেবল অস্বাস্থ্যকর নয়, রীতিমতো প্রাণঘাতী হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বায়ু দূষণের কারণগুলোর মধ্যে প্রাকৃতিক ও আবহাওয়াজনিত কারণ, নগর পরিকল্পনায় ঘাটতি, আইনের দুর্বলতা, আইন প্রয়োগের সীমাবদ্ধতা, ভৌগোলিক কারণ এবং জনসংখ্যার ঘনত্ব অন্যতম। ক্যাপসের গবেষণা থেকে পাওয়া যায় যে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি ও নির্মাণ কাজ থেকে ৩০ শতাংশ, ইটভাটা ও শিল্প কারখানা থেকে ২৯ শতাংশ, যানবাহন থেকে ১৫ শতাংশ, আন্তঃদেশীয় বায়ু দূষণ থেকে ৯.৫ শতাংশ, গৃহস্থালি ও বা রান্নার চুলার কাজের থেকে ৮.৫ শতাংশ এবং বর্জ্য পোড়ানো থেকে ৮ শতাংশ বায়ু দূষণ ঘটে। আবহাওয়াগত স্থবিরতা, সীমিত বায়ুপ্রবাহ এবং আশপাশের শিল্পাঞ্চল ও ইটভাটার নির্গমন মিলিয়ে ঢাকার আকাশ ধূসর কুয়াশায় ঢেকে যায়। শীতকালে বিশেষ করে বায়ুর মান মারাত্মকভাবে অবনতি ঘটে এবং বায়ু দূষণ জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা IQAir-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, শীতকালে ঢাকার গড় বায়ুমান সূচক (AQI) প্রায়ই ২০০-৩০০-এর উপরে অবস্থান করে, যেটি ‘অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত।
অপরদিকে, ‘ওয়ার্ল্ড এয়ার কোয়ালিটি রিপোর্ট-২০২৪’ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বায়ু দূষণে ২০২৪ সালে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে দ্বিতীয় এবং অতিক্ষুদ্র বস্তুকণার (পিএম২০) উপস্থিতি ছিল ৭৮ মাইক্রোগ্রাম/ঘনমিটার। বাংলাদেশে বায়ু দূষণের প্রধান হটস্পট হলো ঢাকা মেগাসিটি এবং এর পার্শ্ববর্তী শিল্পাঞ্চল যেমন সাভার, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ, যেখানে অনিয়ন্ত্রিত নির্মাণকাজ, যানবাহনের ধোঁয়া এবং ইটভাটার কারণে দূষণ চরমে পৌঁছায়।
এছাড়া চট্টগ্রাম ও সীতাকুণ্ডের জাহাজ ভাঙা শিল্প এবং স্টিল মিল এলাকাগুলোও বায়ু দূষণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত। বায়ু দূষণের ক্ষেত্রে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে মানুষের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষার জন্য। পরিবেশ বাজেটের গুরুত্ব সবচেয়ে স্পষ্ট হয়ে ওঠে বায়ু দূষণের বাস্তবতায়।
নির্মল বায়ু কেবল একটি আরামদায়ক বিষয় নয়; এটি মানুষের বেঁচে থাকার মৌলিক উপাদান। দূষিত বায়ুর কারণে শ্বাসযন্ত্রের রোগ, হাঁপানি, হৃদরোগ, ফুসফুসের জটিলতা, চোখের সমস্যা এবং অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়। শিশু, বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভোগা মানুষ এ ঝুঁকির মুখে বেশি থাকে।
তাই পরিবেশ বাজেটে যদি বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ, দূষণের উৎস নিয়ন্ত্রণ, ইটভাটা আধুনিকায়ন, যানবাহনের ধোঁয়া কমানো এবং শিল্পকারখানায় পরিশোধন প্রযুক্তি স্থাপনের মতো বিষয়গুলোর জন্য পর্যাপ্ত অর্থ না থাকে, তাহলে নির্মল বায়ুর লক্ষ্য অধরাই থেকে যাবে।
কয়েক বছরের বাজেট পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন খাতে বরাদ্দ ধাপে ধাপে কিছুটা বেড়েছে। তবে সেই বৃদ্ধির পরিমাণ বাস্তব সংকটের তুলনায় এখনো অপ্রতুল। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জন্য ২,১৪৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়।
বিশ্বব্যাংকের মতে, পরিবেশ দূষণজনিত কারণে বাংলাদেশের জিডিপির প্রায় ১৭.৬ শতাংশ ক্ষতি হচ্ছে। এই শহরের বাতাস আজ কেবল অস্বাস্থ্যকর নয়, রীতিমতো প্রাণঘাতী হয়ে দাঁড়িয়েছে।
একই বাজেটে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় ১০০ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দও প্রস্তাব করা হয়। সংখ্যাটি প্রথম দেখায় ইতিবাচক মনে হলেও, দেশের বায়ু দূষণ, শিল্পদূষণ, বর্জ্য সমস্যা, বন উজাড়, নদীদূষণ এবং নগর তাপমাত্রা বৃদ্ধির সংকটের পরিধির সামনে এই অঙ্ক এখনো খুবই ছোট। অন্যদিকে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে শুধু ‘বায়ু দূষণ’-কে নির্দিষ্ট বা ফোকাস করে একক কোনো বাজেট বা আলাদা তহবিল ঘোষণা করা হয়নি।
বাংলাদেশের পরিবেশ বাজেটকে বোঝার জন্য কেবল একটি বছরের হিসাব যথেষ্ট নয়; কয়েক বছরের ধারাও দেখতে হয়। পরিবেশ খাতে বরাদ্দ বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু সেই বৃদ্ধির সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির উন্নতি তেমন চোখে পড়েনি। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য বড় শহরে বায়ুর মান এখনো জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
নির্মাণ কাজের ধুলা, পুরোনো যানবাহনের ধোঁয়া, ইটভাটার নির্গমন, শিল্পকারখানার ধোঁয়া এবং অপরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনা মিলে পরিবেশকে প্রতিদিন আরও সংকটাপন্ন করে তুলছে। ফলে পরিবেশ বাজেটের আলোচনা শুধু অর্থের প্রশ্ন নয়; এটি আসলে রাষ্ট্রের সক্ষমতার প্রশ্ন।
বাংলাদেশের পরিবেশ বাজেটের একটি বড় দুর্বলতা হলো বাস্তবায়নের ঘাটতি। অনেক সময় প্রকল্প নেওয়া হয়, বরাদ্দও দেওয়া হয়, কিন্তু সেগুলোর মাঠপর্যায়ের প্রভাব অল্পই থাকে। এর পেছনে একাধিক কারণ আছে। কোথাও জনবলের অভাব, কোথাও প্রযুক্তিগত দক্ষতার ঘাটতি, কোথাও আবার বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের অভাব।
পরিবেশ মন্ত্রণালয় একা কাজ করে পরিবেশ রক্ষা করতে পারে না; এর সঙ্গে সড়ক পরিবহন, শিল্প, বিদ্যুৎ, স্থানীয় সরকার, গৃহায়ন, বন বিভাগ এবং শিক্ষা খাতেরও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এক মন্ত্রণালয় যদি বায়ু দূষণ কমাতে কাজ করে, কিন্তু অন্য মন্ত্রণালয়ের নীতিতে দূষণ উৎস রয়ে যায়, তাহলে ফল খুব সীমিত হবে। তাই পরিবেশ বাজেটকে সমন্বিত রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখতে হবে।
বাজেটের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরেও পরিবেশ খাতের বরাদ্দ খুব শক্তিশালী ছিল না, তবে ২০২৫-২৬ সালে কিছুটা অগ্রগতি দেখা যায়। তবু এই অগ্রগতি কাগজে-কলমে যতটা আশাব্যঞ্জক, বাস্তবে ততটা নয়। কারণ পরিবেশ খাতের সমস্যা এমন নয় যে শুধু সামান্য অর্থ বাড়ালেই তা দূর হয়ে যাবে। এখানে প্রয়োজন ধারাবাহিকতা, পরিকল্পনা, আইন প্রয়োগ, তদারকি এবং জনগণের অংশগ্রহণ। বাজেটের সংখ্যা বাড়া মানে যদি কেবল কাগজে উন্নতি হয়, কিন্তু নগরের বাতাস আগের মতোই বিষাক্ত থাকে, তাহলে সেই উন্নতি আসলে অর্থহীন।
বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশে বায়ু দূষণ একটি নীরব মহামারির মতো কাজ করছে। কিন্তু অনেক সময় এটি তেমন গুরুত্ব পায় না, যতটা পাওয়া উচিত। বাজেটের আলোচনায় বড় প্রকল্প, সেতু, রেলপথ বা শিল্পায়ন বেশি গুরুত্ব পায়। অথচ শহরের বাতাস যদি প্রতিদিন বেশি বিষাক্ত হয়, তাহলে এসব উন্নয়ন প্রকল্পের মানবিক মূল্য কমে যায়।
সামগ্রিকভাবে বলা যায়, একটি দেশের নাগরিক স্বাস্থ্য, কর্মক্ষমতা এবং টেকসই অর্থনীতি সরাসরি জড়িয়ে আছে বাতাসের মানের সাথে। বায়ু দূষণ রোধে রাতারাতি পরিবর্তন সম্ভব নয়, তবে একটি সুপরিকল্পিত বাজেটের আওতায় স্বল্প, মাঝারি ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ নিলে ‘ক্লিন এয়ার’ বা নির্মল বাতাস নিশ্চিত করা অবশ্যই সম্ভব।
প্রথমত, স্বল্প বাজেট ভিত্তিক পদক্ষেপের আওতায় বড় কোনো আর্থিক বিনিয়োগ ছাড়াই শুধু সচেতনতা এবং স্থানীয় আইন প্রয়োগের মাধ্যমে বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব। এর মধ্যে রয়েছে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিবেশ শিক্ষার বিস্তার এবং স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে সপ্তাহান্তে ক্লিনিং অভিযান পরিচালনা করা।
এছাড়া ট্রাফিক সিগন্যালে ইঞ্জিন বন্ধ রাখা, উন্মুক্ত স্থানে ময়লা পোড়ানো বন্ধ করা, হাঁটার উপযোগী ফুটপাত তৈরি, সাইকেল লেনের ব্যবহার বাড়ানো, যানবাহনের নিয়মিত ইমিশন টেস্ট করা এবং গ্রামে উন্নত চুলার ব্যবহারে উৎসাহিত করার মতো অভ্যাসগুলো দূষণ অনেক কমিয়ে আনতে পারে।
দ্বিতীয়ত, মাঝারি বাজেট ভিত্তিক পদক্ষেপের মাধ্যমে শহরের অবকাঠামোগত ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন করা জরুরি। এর মধ্যে রয়েছে শহরের যানজট কমাতে স্মার্ট ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট স্থাপন, রাস্তা পরিষ্কারে আধুনিক মেকানিক্যাল সুইপার ব্যবহার এবং নির্মাণাধীন এলাকা বাধ্যতামূলকভাবে ত্রিপল দিয়ে ঢেকে রাখা।
পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলে ইলেকট্রোস্ট্যাটিক প্রিসিপিটেটর ও ওয়েট স্ক্রাবারের মতো আধুনিক ফিল্টার স্থাপন নিশ্চিত করা, ইটভাটাগুলো জিগ-জ্যাগ প্রযুক্তিতে রূপান্তরে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া এবং শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণের জন্য আধুনিক মনিটরিং স্টেশন বসিয়ে রিয়েল-টাইম তথ্য প্রচার করা প্রয়োজন।
নির্মল বায়ু কেবল একটি আরামদায়ক বিষয় নয়; এটি মানুষের বেঁচে থাকার মৌলিক উপাদান। দূষিত বায়ুর কারণে শ্বাসযন্ত্রের রোগ, হাঁপানি, হৃদরোগ, ফুসফুসের জটিলতা, চোখের সমস্যা এবং অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়। শিশু, বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভোগা মানুষ এ ঝুঁকির মুখে বেশি থাকে।
একটি দূষণমুক্ত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উচ্চ বাজেট ভিত্তিক পদক্ষেপের কোনো বিকল্প নেই, যার জন্য জাতীয় বাজেটে বড় অঙ্কের বরাদ্দ প্রয়োজন। এর অধীনে জাতীয় পর্যায়ে দূষণ নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা, ডিজেলচালিত যানের পরিবর্তে ইলেকট্রিক বাস ও মেট্রোরেলের ব্যবহার দেশব্যাপী সম্প্রসারণ করা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে সোলার বা বায়োগ্যাসের মতো নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়ানো উচিত। সেই সাথে শহর ও শিল্পাঞ্চলে ইকো-জোন স্থাপন, বায়ু মান উন্নয়নে কর ছাড় দেওয়া, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার জন্য বিনিয়োগ বাড়ানো এবং একটি বায়ু দূষণ কমানো জন্য ফান্ড তৈরি করা দরকার।
নির্মল বাতাস কোনো বিলাসিতা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার; তাই স্বল্প বাজেটের নাগরিক দায়িত্ব থেকে শুরু করে উচ্চ বাজেটের রাষ্ট্রীয় নীতি প্রতিটি পদক্ষেপেরই সঠিক বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি।
সবশেষে বলা যায়, বাংলাদেশ যদি সত্যিই টেকসই উন্নয়নের পথে হাঁটতে চায়, তবে পরিবেশ বাজেটকে সংখ্যার বাইরে গিয়ে বাস্তব পরিবর্তনের মাধ্যমে মূল্যায়ন করতে হবে। বাজেটের আকার নয়, তার প্রভাবই হবে ভবিষ্যৎ নির্ধারণের আসল মানদণ্ড। নির্মল বায়ু, সবুজ নগর, নিরাপদ বাসস্থান এবং সহনশীল জলবায়ুর জন্য দরকার অর্থের সঙ্গে নীতির, সদিচ্ছার সঙ্গে জবাবদিহির, আর পরিকল্পনার সঙ্গে বাস্তবায়নের সমন্বয়। এটিই হওয়া উচিত বাংলাদেশের পরিবেশ বাজেট ২০২৬-এর সবচেয়ে বড় শিক্ষা।
অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার : ডিন, বিজ্ঞান অনুষদ এবং অধ্যাপক, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ; যুগ্ম সম্পাদক, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এবং চেয়ারম্যান, বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস)
kamrul_sub@hotmail.com
Leave a Reply